ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নাসিরনগর উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নের বেরুইন গ্রামের কৃতি সন্তান সাদা মনের মানুষ নামে বিখ্যাত সুধীর চন্দ্র বর্ধন বৃদ্ধ বয়সে এসেও মানুষের চিন্তায় মগ্ন থাকেন।
যিনি ০১-০২-১৯৪০সালে জন্মগ্রহণ করেন। যার দেশের সেবা করা শুরু হয় ১৯৫২সালের ভাষা আন্দোলন থেকে। সুধীর চন্দ্র বর্ধন আজকের প্রবাহ সংবাদের সাক্ষাৎকারে বলেন, ঐ সময় দেশে হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ছিল না। কিন্তু ওনি সবার সাথে মিলেমিশে থাকার চেষ্টা করেছেন। জানা যায় যে সেই সময় মুসলমানদের সাথে চলাফেরা করায় ওনাকে সমাজ চৌত করার জন্য বহু চেষ্টা করেছে এলাকাবাসী ও তার পরিবার,, কিন্ত পরও তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখেছেন। এছাড়া এটাও উল্লেখ্য যে তিনি মানব সেবা করার লক্ষ্যে সংসার জীবন ত্যাগ করেছেন অর্থাৎ বিয়ে করেননি।
সুধীর চন্দ্র বর্ধন সমাজে নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠা করার জন্যও অনেক কিছু করেছেন। যার শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী ভালো চাকরি করার কথা ছিল, তা না করে নাসিরনগর উপজেলার ভলাকুট ক্ষেত্রনাথ বিশ্বাস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় ৫-৬কিলো মিটার রাস্তা পায়ে হেটে আসতেন এবং সমাজে শিক্ষা প্রতিষ্ঠার জন্য গ্রামে গ্রামে ভিক্ষা করে টাকা সংগ্রহ করে তা উক্ত প্রতিষ্ঠানে খরচ করেছেন, তাছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ওনার অবদান রয়েছে। বর্তমানে ওনি নাসিরনগর উপজেলায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখছেন, কিন্তু বয়সও যে তার প্রায় শেষ।
তিনি তরুণ প্রজন্মকে উদ্দেশ্য করে বলে যে আপনাদের কাছে আমার একটাই অনুরোধ, আমার শেষ স্বপ্ন ছিল নাসিরনগর উপজেলায় একটা বিশ্ব বিদ্যালয় হবে, কিন্তু আমি তা পারিনি,, আপনারা সবাই চেষ্টা করবেন, একথা বলে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
ইমরান মিয়া
উপজেলাপ্রতিনিধি,নাসিরনগর













