ঢাকা ১১:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সারাদেশে ধারাবাহিক শিশু নির্যাতনের ঘটনায় সেন্টার ফর চাইল্ড রাইটসের উদ্বেগ সারাদেশে শিশু ধারাবাহিক শিশু নির্যাতনের ঘটনায় সেন্টার ফর চাইল্ড রাইটসের উদ্বেগ জবিতে জকসুর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আগামীকাল জবি আইনজীবী সমিতির নেতৃত্বে তরিকুল-পলাশ জবিতে র‍্যাগিং মুক্ত ক্যাম্পাস গড়ার লক্ষে সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন ছাত্রদল নেতার ইবিস্থ আইইউসানস’র নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত ঈদে বিভাগীয় শহরে বাসের আবেদন জকসুর সীমান্তে হত্যা ও মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে জবিতে জাতীয় ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ সীমান্তে হত্যা ও মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে জবিতে জাতীয় ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ ইডেন কলেজ ছাত্রীদের ‘নষ্টা’ বললেন ইবি ছাত্রদল নেতা, সমালোচনা

যে কার‌ণে মীর্জা আব্বাস‌কে বের ক‌রে দেয়া হয়

  • আপডেট সময় : ১২:২১:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১০০২ বার পড়া হয়েছে

ওসমান হাদিকে তখন সিটিস্ক্যান করতে সিটিরুমে ঢোকানো হইছে। ইনকিলাব মঞ্চের পোলাপানেরা সিটিরুমের সামনে কর্ডন করে দাঁড়ায় আছে। কাউকে ভিতরে ঢুকতে দিতে চাচ্ছে না। আমরা দুইচারজন ডিএমসির স্টুডেন্ট একসাইডে দাড়ায়া আছি। ইতোমধ্যে একজন নিউরোসার্জন ম্যাম আসলেন। আমরা ইনকিলাবের পোলাপানের সাথে আলাপ করে ম্যামকে সিটিরুমে ঢুকায় দিলাম।পরিস্থিতি ইনটেন্স। সেই মূহূর্তে মির্জা আব্বাস সাহেব ঢুকলেন তার প্রটোকল নিয়ে। উনি নিজেই হাটতে পারতেছেন না তার ওপর সিটিরুমের সামনে ১৫ জনের মত লোক নিয়ে উনি আসলেন। ইনকিলাবের পোলাপান গেল খেঁপে। হাতাহাতির লেভেলে যখন গেছে তখন খালেদ, পারভেজ, নোমান ভাই মিলে থামাইলাম।

যাহোক। উনি নাকি ওসমান হাদিকে দেখতে আসছেন।আমার প্রশ্ন হইল হেডশট,অচেতন,জিসিএস-৩ লেভেলে থাকা একটা রোগীর সাথে সাক্ষাৎ করে যে কোনো লাভ নাই বরং প্রটোকল নিয়া গেলে হাসপাতালের সকল রোগীর ক্ষতি এইটা বোঝানোর মত লোক ওনার আশেপাশে ছিল না? ছিল। উনি অযথাই আসছিলেন। ফুটেজ খাইতেই আসছিলেন।ইভেন এই ঘটনার পর উনি হাসপাতালের ভিতরে ইমার্জেন্সির সামনে ১৫-২০ জন নিয়ে প্রেস ব্রিফিংও করছেন। ঠিক সেই সময় জুমা তাদেরকে কনফ্রন্ট করছে।
হাদি ভাইয়ের লোকজন যারা আসছিল তারা ওনার সিকিউরিটি কনসার্ন নিয়ে হাসপাতালে অবস্থান করছেন এমনকি ডাক্তারদের সাথে অপ্রীতিকর আচরণও করছেন অনেকে(একজন মেডিকেল স্টুডেন্ট হিসেবে নিন্দা জানালাম)। এইরকম সময়গুলাতে যখন ভিআইপিরা হাসপাতালে এডমিট থাকে তখন সব নেতা আসে ফুটেজ খাইতে আর সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ে সাধারণ রোগীরা। আর্মি, আনসারেরা বারবার ইমার্জেন্সির রাস্তা ক্লিয়ারের চেষ্টা করতেছিল। সেই সময়ও মির্জা আব্বাস সাহেব হাসপাতালের ভিতরে প্রেস ব্রিফিং করছেন!

আবার হাদি ভাইয়ের সাথে সিটিরুমে বিএনপির স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম,জামায়াতের ঢাকা-১৭ এর প্রার্থী ডা. খালিদ জামানও ছিল। তাদের থাকা নিয়ে তো ইনকিলাবের কেউ কিংবা জুমাও কোনো গেঞ্জাম করে নাই।

এরপর জামায়াতসহ একে একে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা আসছে। তাদেরকেও ইনকিলাবের পোলাপানেরা দুয়োধ্বনি শোনাইছে। তারপর নেতারা চুপচাপ ডাক্তারের সাথে আলাপ শেষে নিঃশব্দে বিদায় নিছেন।

এখন জুমারে মিডিয়া ট্রায়াল দিচ্ছে ছাপড়ি এক্টিভিস্টেরা। মির্জা আব্বাস ঐ সময় সিটিরুমে ১০-১৫ জনের প্রটোকল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা ও হাসপাতালের ভিতরে দাড়ায়া প্রেস ব্রিফিংয়ের কাজটা ভুল,ওনার টাইমিংটাও ভুল।

জুমার রাজনৈতিক গুরু যখন কোমায় তখন আপনার নেতা যদি পলিটিক্স করতে আসে জুমার হান্ড্রেড পার্সেন্ট রাইট আছে এইটা নিয়ে কথা বলার। তারেক রহমান নিয়া বিএনপির যা আবেগ, হাদিরে নিয়া জুমারও সেই আবেগ।

এইটা স্বীকার করে জুমাকে নিয়া মিডিয়া ট্রায়াল দেয়া বন্ধ করা উচিত আপনাদের।

  • মাহবুব মোর্শেদ সিয়াম
    ঢাকা মেডিকেল কলেজ

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে ধারাবাহিক শিশু নির্যাতনের ঘটনায় সেন্টার ফর চাইল্ড রাইটসের উদ্বেগ

যে কার‌ণে মীর্জা আব্বাস‌কে বের ক‌রে দেয়া হয়

আপডেট সময় : ১২:২১:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ওসমান হাদিকে তখন সিটিস্ক্যান করতে সিটিরুমে ঢোকানো হইছে। ইনকিলাব মঞ্চের পোলাপানেরা সিটিরুমের সামনে কর্ডন করে দাঁড়ায় আছে। কাউকে ভিতরে ঢুকতে দিতে চাচ্ছে না। আমরা দুইচারজন ডিএমসির স্টুডেন্ট একসাইডে দাড়ায়া আছি। ইতোমধ্যে একজন নিউরোসার্জন ম্যাম আসলেন। আমরা ইনকিলাবের পোলাপানের সাথে আলাপ করে ম্যামকে সিটিরুমে ঢুকায় দিলাম।পরিস্থিতি ইনটেন্স। সেই মূহূর্তে মির্জা আব্বাস সাহেব ঢুকলেন তার প্রটোকল নিয়ে। উনি নিজেই হাটতে পারতেছেন না তার ওপর সিটিরুমের সামনে ১৫ জনের মত লোক নিয়ে উনি আসলেন। ইনকিলাবের পোলাপান গেল খেঁপে। হাতাহাতির লেভেলে যখন গেছে তখন খালেদ, পারভেজ, নোমান ভাই মিলে থামাইলাম।

যাহোক। উনি নাকি ওসমান হাদিকে দেখতে আসছেন।আমার প্রশ্ন হইল হেডশট,অচেতন,জিসিএস-৩ লেভেলে থাকা একটা রোগীর সাথে সাক্ষাৎ করে যে কোনো লাভ নাই বরং প্রটোকল নিয়া গেলে হাসপাতালের সকল রোগীর ক্ষতি এইটা বোঝানোর মত লোক ওনার আশেপাশে ছিল না? ছিল। উনি অযথাই আসছিলেন। ফুটেজ খাইতেই আসছিলেন।ইভেন এই ঘটনার পর উনি হাসপাতালের ভিতরে ইমার্জেন্সির সামনে ১৫-২০ জন নিয়ে প্রেস ব্রিফিংও করছেন। ঠিক সেই সময় জুমা তাদেরকে কনফ্রন্ট করছে।
হাদি ভাইয়ের লোকজন যারা আসছিল তারা ওনার সিকিউরিটি কনসার্ন নিয়ে হাসপাতালে অবস্থান করছেন এমনকি ডাক্তারদের সাথে অপ্রীতিকর আচরণও করছেন অনেকে(একজন মেডিকেল স্টুডেন্ট হিসেবে নিন্দা জানালাম)। এইরকম সময়গুলাতে যখন ভিআইপিরা হাসপাতালে এডমিট থাকে তখন সব নেতা আসে ফুটেজ খাইতে আর সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ে সাধারণ রোগীরা। আর্মি, আনসারেরা বারবার ইমার্জেন্সির রাস্তা ক্লিয়ারের চেষ্টা করতেছিল। সেই সময়ও মির্জা আব্বাস সাহেব হাসপাতালের ভিতরে প্রেস ব্রিফিং করছেন!

আবার হাদি ভাইয়ের সাথে সিটিরুমে বিএনপির স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম,জামায়াতের ঢাকা-১৭ এর প্রার্থী ডা. খালিদ জামানও ছিল। তাদের থাকা নিয়ে তো ইনকিলাবের কেউ কিংবা জুমাও কোনো গেঞ্জাম করে নাই।

এরপর জামায়াতসহ একে একে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা আসছে। তাদেরকেও ইনকিলাবের পোলাপানেরা দুয়োধ্বনি শোনাইছে। তারপর নেতারা চুপচাপ ডাক্তারের সাথে আলাপ শেষে নিঃশব্দে বিদায় নিছেন।

এখন জুমারে মিডিয়া ট্রায়াল দিচ্ছে ছাপড়ি এক্টিভিস্টেরা। মির্জা আব্বাস ঐ সময় সিটিরুমে ১০-১৫ জনের প্রটোকল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা ও হাসপাতালের ভিতরে দাড়ায়া প্রেস ব্রিফিংয়ের কাজটা ভুল,ওনার টাইমিংটাও ভুল।

জুমার রাজনৈতিক গুরু যখন কোমায় তখন আপনার নেতা যদি পলিটিক্স করতে আসে জুমার হান্ড্রেড পার্সেন্ট রাইট আছে এইটা নিয়ে কথা বলার। তারেক রহমান নিয়া বিএনপির যা আবেগ, হাদিরে নিয়া জুমারও সেই আবেগ।

এইটা স্বীকার করে জুমাকে নিয়া মিডিয়া ট্রায়াল দেয়া বন্ধ করা উচিত আপনাদের।

  • মাহবুব মোর্শেদ সিয়াম
    ঢাকা মেডিকেল কলেজ