ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সারাদেশে ধারাবাহিক শিশু নির্যাতনের ঘটনায় সেন্টার ফর চাইল্ড রাইটসের উদ্বেগ সারাদেশে শিশু ধারাবাহিক শিশু নির্যাতনের ঘটনায় সেন্টার ফর চাইল্ড রাইটসের উদ্বেগ জবিতে জকসুর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আগামীকাল জবি আইনজীবী সমিতির নেতৃত্বে তরিকুল-পলাশ জবিতে র‍্যাগিং মুক্ত ক্যাম্পাস গড়ার লক্ষে সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন ছাত্রদল নেতার ইবিস্থ আইইউসানস’র নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত ঈদে বিভাগীয় শহরে বাসের আবেদন জকসুর সীমান্তে হত্যা ও মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে জবিতে জাতীয় ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ সীমান্তে হত্যা ও মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে জবিতে জাতীয় ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ ইডেন কলেজ ছাত্রীদের ‘নষ্টা’ বললেন ইবি ছাত্রদল নেতা, সমালোচনা

শাপলা চত্বরের প্রতিবাদহীনতাই পরবর্তী দুঃশাসনের পথ খুলে দিয়েছিল:  আলী হাসান উসামা

  • আপডেট সময় : ১০:০৬:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • ১৬৫ বার পড়া হয়েছে

জবি প্রতিনিধি

পিলখানা হত্যাকাণ্ড ও শাপলা চত্বরের ঘটনার পর যথাযথ প্রতিবাদ না হওয়ায় তৎকালীন পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট শিক্ষক ও লেখক আলী হাসান উসামা। 

আজ মঙ্গলবার (৫ মে) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জকসুর উদ্যোগে আয়োজিত ‘শাপলা গণহত্যা দিবস’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  

​তিনি বলেন, সেদিন যারা নবী করিম (সা.)-এর সম্মান রক্ষায় ও ধর্মীয় অনুভূতির পক্ষে অবস্থান নিয়ে সমাবেশে এসেছিলেন, তাদের ওপর রাষ্ট্রীয় শক্তির কঠোর দমন-পীড়ন চালানো হয়। অথচ ঘটনার পর বিভিন্ন মহলের নীরবতা সত্য উদঘাটনে বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে।”

​তিনি আরও বলেন, ঘটনার দীর্ঘ ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো শহীদদের সঠিক সংখ্যা নির্ধারণ না হওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজ না নেওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্‌দীন বলেন, “শাপলা চত্বরের ঘটনা নিয়ে কথা বলতে জাতিকে দীর্ঘ ১৩ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এই ঘটনার মধ্যে অনেক আবেগ ও শিক্ষার বিষয় রয়েছে। সেদিন যারা জীবন বাজি রেখে রাজপথে নেমেছিলেন, তারা সাহসী মানুষ। এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ইতিহাস জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল। ঘটনার সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রাজনৈতিক দল এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে নিবিড় গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জকসু ভিপি মোঃ রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম আরিফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা ভবিষ্যতে যেন কোনো স্বৈরাচারী বা ফ্যাসিবাদী শক্তি পুনরায় মাথাচাড়া দিতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে ধারাবাহিক শিশু নির্যাতনের ঘটনায় সেন্টার ফর চাইল্ড রাইটসের উদ্বেগ

শাপলা চত্বরের প্রতিবাদহীনতাই পরবর্তী দুঃশাসনের পথ খুলে দিয়েছিল:  আলী হাসান উসামা

আপডেট সময় : ১০:০৬:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

জবি প্রতিনিধি

পিলখানা হত্যাকাণ্ড ও শাপলা চত্বরের ঘটনার পর যথাযথ প্রতিবাদ না হওয়ায় তৎকালীন পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট শিক্ষক ও লেখক আলী হাসান উসামা। 

আজ মঙ্গলবার (৫ মে) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জকসুর উদ্যোগে আয়োজিত ‘শাপলা গণহত্যা দিবস’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  

​তিনি বলেন, সেদিন যারা নবী করিম (সা.)-এর সম্মান রক্ষায় ও ধর্মীয় অনুভূতির পক্ষে অবস্থান নিয়ে সমাবেশে এসেছিলেন, তাদের ওপর রাষ্ট্রীয় শক্তির কঠোর দমন-পীড়ন চালানো হয়। অথচ ঘটনার পর বিভিন্ন মহলের নীরবতা সত্য উদঘাটনে বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে।”

​তিনি আরও বলেন, ঘটনার দীর্ঘ ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো শহীদদের সঠিক সংখ্যা নির্ধারণ না হওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজ না নেওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্‌দীন বলেন, “শাপলা চত্বরের ঘটনা নিয়ে কথা বলতে জাতিকে দীর্ঘ ১৩ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এই ঘটনার মধ্যে অনেক আবেগ ও শিক্ষার বিষয় রয়েছে। সেদিন যারা জীবন বাজি রেখে রাজপথে নেমেছিলেন, তারা সাহসী মানুষ। এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ইতিহাস জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল। ঘটনার সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রাজনৈতিক দল এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে নিবিড় গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জকসু ভিপি মোঃ রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম আরিফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা ভবিষ্যতে যেন কোনো স্বৈরাচারী বা ফ্যাসিবাদী শক্তি পুনরায় মাথাচাড়া দিতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।