ঢাকা ০৪:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাবি প্রেসক্লাবের সভাপ‌তি তাওহিদ, সাধারণ সম্পাদক ওসমান ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের উপর হামলার প্রতিবাদে যবিপ্রবিতে বিক্ষোভ আবারও লন্ড‌নে পা‌ড়ি দি‌বেন তা‌রেক রহমান? জাতীয় সংসদ নির্বাচন করছেন যবিপ্রবির শিক্ষার্থী রাশেদ গণভোটের প্রচারণায় যবিপ্রবিতে আলী রীয়াজথাকবেন ১১ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি জাবিতে জুলাই হামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি জানাল প্রশাসন জাবিতে বাগেরহাট জেলা শিক্ষার্থীকল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে হেলাল–তারিকুল যবিপ্রবি জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদে প্রথমবার চালু হচ্ছে ডিন’স অ্যাওয়ার্ড শেরপুরে বিএনপির হামলায় জামায়াত নেতা হত্যার প্রতিবাদে জাবি শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল যবিপ্রবি ও ইনমাস যশোরের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

শীতের আমেজে বাংলার প্রকৃতিতে বইছে হিমেল হাওয়া

  • আপডেট সময় : ০৮:৫৩:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৩৩ বার পড়া হয়েছে

বাতাসে কমে গেছে আর্দ্রতা। প্রকৃতিতে এখন শীতের আমেজ। সন্ধ্যা-সকাল কুয়াশার চাদর মুড়ে দিচ্ছে চারপাশ। ঘাসের ডগায় দেখা মিলছে শিশিরের ‘মুক্তোর দানা’। শীতকে কেউ কেউ ‘নীরবতা ও অন্ধকারের অনুভূতি’ বলে প্রকাশ করেছেন।

শীতের প্রচণ্ড দাপট কখনও কখনও ক্ষণিকের জন্য জীবনকে আড়ষ্ট করে তুললেও বাড়িয়ে দেয় মনের সজিবতা। অধিকাংশ মানুষেরই প্রিয় ঋতু শীত।

বিজ্ঞাপন

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বাংলাদেশ। ষড়ঋতুর এমন দেশে প্রত্যেক ঋতু তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য নিয়েই আবির্ভূত হয়। পৌষ ও মাঘ মাস শীতকাল হলেও অগ্রহায়ণ মাস থেকেই শীতের সূচনা শুরু হতে থাকে।

এমন শীতের আগমন পত্রকুঞ্জে এবং জলে-স্থলে সর্বত্রই যেন পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। আসলেই প্রৌঢ়ত্বের পরে আসে জড়তাগ্রস্ত শীত ঋতুর ‘নির্মম বার্ধক্য’। শুষ্ক-কাঠিন্য এবং রিক্ততার বিষাদময় প্রতিমূর্তিরূপেই শীতের আবির্ভাব ঘটে। তবুও এ শীতের শুভ্রতার প্রকৃতি অনেকেরই ভালো লাগে, মন ছুঁয়ে যায়।

বাংলাদেশের ঋতুচক্রে অন্য পাঁচটি ঋতু থেকে শীতকালের বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। শীতের অবস্থান হেমন্তের পরে এবং বসন্তের আগে। মূলত শীত শুষ্ক চেহারা আর হিমশীতল অনুভব নিয়ে আসে। এ সময় গ্রামবাংলা যেন শীতের চাদর মুড়ি দেয়।

ভোরবেলা ঘন কুয়াশার ধবল চাদরে ঢাকা থাকে। হিমেল হাওয়ায় হাড় কাঁপিয়ে শীত জেঁকে বসে। শীতের দাপটে প্রকৃতি নীরব হয়ে যায়। সবুজ প্রকৃতি রুক্ষ মূর্তি ধারণ করে।

শীতের শুষ্কতায় অধিকাংশ গাছপালার পাতা ঝরে পড়তে থাকে। শীত তার চরম শুষ্কতার রূপ নিয়ে প্রকৃতির ওপর জেঁকে বসে। রুক্ষতা, তিক্ততা ও বিষাদের প্রতিমূর্তি হয়ে শীত আসে। শীতের তাণ্ডবে প্রকৃতি বিবর্ণ হয়ে পড়ে।

হঠাৎ করেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে আছে দিনাজপুরের হিলির চারপাশ। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশার মধ্যে বইছে ঠান্ডা হাওয়া। পুরো পরিবেশ জুরে বিরাজ করছে শীতের আমেজ।

এ দিকে ভোরে কাজে বের হতে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় দিনমজুর ও শ্রমজীবী মানুষদের। কুয়াশার কারণে দিনের বেলায়ও সড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন।

স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ করে মধ্যরাত থেকে কুয়াশা পড়তে শুরু করেছে। কুয়াশা পড়া মানেই শীতের আগমনী বার্তা।

তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমে আসছে, যা শীত মৌসুমের আগমনকে ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে বাতাসের জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি হওয়ার কারণে আগামী কয়েকদিন সকাল বেলা কুয়াশার পরিমাণ বেশি দেখা যাবে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জাবি প্রেসক্লাবের সভাপ‌তি তাওহিদ, সাধারণ সম্পাদক ওসমান

শীতের আমেজে বাংলার প্রকৃতিতে বইছে হিমেল হাওয়া

আপডেট সময় : ০৮:৫৩:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

বাতাসে কমে গেছে আর্দ্রতা। প্রকৃতিতে এখন শীতের আমেজ। সন্ধ্যা-সকাল কুয়াশার চাদর মুড়ে দিচ্ছে চারপাশ। ঘাসের ডগায় দেখা মিলছে শিশিরের ‘মুক্তোর দানা’। শীতকে কেউ কেউ ‘নীরবতা ও অন্ধকারের অনুভূতি’ বলে প্রকাশ করেছেন।

শীতের প্রচণ্ড দাপট কখনও কখনও ক্ষণিকের জন্য জীবনকে আড়ষ্ট করে তুললেও বাড়িয়ে দেয় মনের সজিবতা। অধিকাংশ মানুষেরই প্রিয় ঋতু শীত।

বিজ্ঞাপন

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বাংলাদেশ। ষড়ঋতুর এমন দেশে প্রত্যেক ঋতু তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য নিয়েই আবির্ভূত হয়। পৌষ ও মাঘ মাস শীতকাল হলেও অগ্রহায়ণ মাস থেকেই শীতের সূচনা শুরু হতে থাকে।

এমন শীতের আগমন পত্রকুঞ্জে এবং জলে-স্থলে সর্বত্রই যেন পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। আসলেই প্রৌঢ়ত্বের পরে আসে জড়তাগ্রস্ত শীত ঋতুর ‘নির্মম বার্ধক্য’। শুষ্ক-কাঠিন্য এবং রিক্ততার বিষাদময় প্রতিমূর্তিরূপেই শীতের আবির্ভাব ঘটে। তবুও এ শীতের শুভ্রতার প্রকৃতি অনেকেরই ভালো লাগে, মন ছুঁয়ে যায়।

বাংলাদেশের ঋতুচক্রে অন্য পাঁচটি ঋতু থেকে শীতকালের বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। শীতের অবস্থান হেমন্তের পরে এবং বসন্তের আগে। মূলত শীত শুষ্ক চেহারা আর হিমশীতল অনুভব নিয়ে আসে। এ সময় গ্রামবাংলা যেন শীতের চাদর মুড়ি দেয়।

ভোরবেলা ঘন কুয়াশার ধবল চাদরে ঢাকা থাকে। হিমেল হাওয়ায় হাড় কাঁপিয়ে শীত জেঁকে বসে। শীতের দাপটে প্রকৃতি নীরব হয়ে যায়। সবুজ প্রকৃতি রুক্ষ মূর্তি ধারণ করে।

শীতের শুষ্কতায় অধিকাংশ গাছপালার পাতা ঝরে পড়তে থাকে। শীত তার চরম শুষ্কতার রূপ নিয়ে প্রকৃতির ওপর জেঁকে বসে। রুক্ষতা, তিক্ততা ও বিষাদের প্রতিমূর্তি হয়ে শীত আসে। শীতের তাণ্ডবে প্রকৃতি বিবর্ণ হয়ে পড়ে।

হঠাৎ করেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে আছে দিনাজপুরের হিলির চারপাশ। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত ঘন কুয়াশার মধ্যে বইছে ঠান্ডা হাওয়া। পুরো পরিবেশ জুরে বিরাজ করছে শীতের আমেজ।

এ দিকে ভোরে কাজে বের হতে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় দিনমজুর ও শ্রমজীবী মানুষদের। কুয়াশার কারণে দিনের বেলায়ও সড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন।

স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ করে মধ্যরাত থেকে কুয়াশা পড়তে শুরু করেছে। কুয়াশা পড়া মানেই শীতের আগমনী বার্তা।

তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমে আসছে, যা শীত মৌসুমের আগমনকে ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে বাতাসের জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি হওয়ার কারণে আগামী কয়েকদিন সকাল বেলা কুয়াশার পরিমাণ বেশি দেখা যাবে।