ঢাকা ০২:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জাবি প্রেসক্লাবের সভাপ‌তি তাওহিদ, সাধারণ সম্পাদক ওসমান ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের উপর হামলার প্রতিবাদে যবিপ্রবিতে বিক্ষোভ আবারও লন্ড‌নে পা‌ড়ি দি‌বেন তা‌রেক রহমান? জাতীয় সংসদ নির্বাচন করছেন যবিপ্রবির শিক্ষার্থী রাশেদ গণভোটের প্রচারণায় যবিপ্রবিতে আলী রীয়াজথাকবেন ১১ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি জাবিতে জুলাই হামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি জানাল প্রশাসন জাবিতে বাগেরহাট জেলা শিক্ষার্থীকল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে হেলাল–তারিকুল যবিপ্রবি জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদে প্রথমবার চালু হচ্ছে ডিন’স অ্যাওয়ার্ড শেরপুরে বিএনপির হামলায় জামায়াত নেতা হত্যার প্রতিবাদে জাবি শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল যবিপ্রবি ও ইনমাস যশোরের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা স্পষ্টের দাবিতে জাবির প্রাণরসায়ন সংসদের মানববন্ধন

  • আপডেট সময় : ০৯:২০:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৯৬ বার পড়া হয়েছে

জাবি প্রতিনিধি: মোঃ শরিফুল ইসলাম

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) স্বাক্ষরিত জরুরী নির্দেশনা সংশোধন করে স্পষ্ট করা ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি রিপোর্ট সিগনেটরি অথরিটি বিষয়ে স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের জমাকৃত প্রতিবেদনের নির্দেশনা বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রাণরসায়ন সংসদ।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক সংলগ্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক বোরহান উদ্দীন বলেন “সাম্প্রতিক স্বাস্থ্যবিধির প্রজ্ঞাপনে ল্যাবরেটরি রিপোর্টের স্বাক্ষরকারী কর্তৃপক্ষ থেকে প্রাণরসায়নবিদদের (Biochemists) বাদ দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সারা বিশ্বে বায়োকেমিস্টরা নিবিড়ভাবে রোগ নির্ণয় ও ল্যাবরেটরি ব্যবস্থাপনায় দক্ষ হয়ে ওঠেন। পক্ষান্তরে, চিকিৎসকদের মূল কাজ হলো চিকিৎসা প্রদান করা। রিপোর্টিংয়ের দায়িত্ব শুধুমাত্র চিকিৎসকদের ওপর ন্যস্ত করলে তাদের মূল্যবান সময় নষ্ট হবে এবং বায়োকেমিস্টরা পেশাগত বৈষম্যের শিকার হবেন। এতে গবেষণালব্ধ মেধার অপচয় ঘটবে। তাই অবিলম্বে সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে বায়োকেমিস্টদের স্বাক্ষর করার সুযোগ দিয়ে এই বৈষম্য দূর করার জোর দাবি জানানো হচ্ছে।”

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সোহেল আহমেদ বলেন “সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক নির্দেশনায় ল্যাব রিপোর্টে শুধুমাত্র বিএমডিসি নিবন্ধিত চিকিৎসকদের স্বাক্ষরের অনুমতি দিয়ে ‘প্যাথোলজি বিশেষজ্ঞ’ বিষয়টি অস্পষ্ট রাখা হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে রোগ নির্ণয়ে বিশেষ ভূমিকা রাখা বায়োকেমিস্ট ও মাইক্রোবায়োলোজিস্টদের পেশাগত মর্যাদা সংকটে পড়েছে। আধুনিক রোগ নির্ণয় ও কোয়ালিটি কন্ট্রোলে উচ্চতর দক্ষতাসম্পন্ন এই গ্রাজুয়েটরা অপরিহার্য গিয়ার বা চালিকাশক্তির মতো। কোভিড-১৯ মহামারীতেও তাদের অবদান ছিল অনস্বীকার্য। বায়োকেমিস্টদের স্বাক্ষরের ক্ষমতা কেড়ে নিলে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ধূলিসাৎ হবে এবং স্বাস্থ্য খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই প্যাথোলজি বিশেষজ্ঞের সংজ্ঞা স্পষ্ট করে বায়োকেমিস্টদের সিগনেটরি অথরিটি বহাল রেখে দ্রুত প্রজ্ঞাপনটি সংশোধনের আহ্বান জানাচ্ছি।”

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জাবি প্রেসক্লাবের সভাপ‌তি তাওহিদ, সাধারণ সম্পাদক ওসমান

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা স্পষ্টের দাবিতে জাবির প্রাণরসায়ন সংসদের মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৯:২০:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

জাবি প্রতিনিধি: মোঃ শরিফুল ইসলাম

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) স্বাক্ষরিত জরুরী নির্দেশনা সংশোধন করে স্পষ্ট করা ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি রিপোর্ট সিগনেটরি অথরিটি বিষয়ে স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের জমাকৃত প্রতিবেদনের নির্দেশনা বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রাণরসায়ন সংসদ।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক সংলগ্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক বোরহান উদ্দীন বলেন “সাম্প্রতিক স্বাস্থ্যবিধির প্রজ্ঞাপনে ল্যাবরেটরি রিপোর্টের স্বাক্ষরকারী কর্তৃপক্ষ থেকে প্রাণরসায়নবিদদের (Biochemists) বাদ দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সারা বিশ্বে বায়োকেমিস্টরা নিবিড়ভাবে রোগ নির্ণয় ও ল্যাবরেটরি ব্যবস্থাপনায় দক্ষ হয়ে ওঠেন। পক্ষান্তরে, চিকিৎসকদের মূল কাজ হলো চিকিৎসা প্রদান করা। রিপোর্টিংয়ের দায়িত্ব শুধুমাত্র চিকিৎসকদের ওপর ন্যস্ত করলে তাদের মূল্যবান সময় নষ্ট হবে এবং বায়োকেমিস্টরা পেশাগত বৈষম্যের শিকার হবেন। এতে গবেষণালব্ধ মেধার অপচয় ঘটবে। তাই অবিলম্বে সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে বায়োকেমিস্টদের স্বাক্ষর করার সুযোগ দিয়ে এই বৈষম্য দূর করার জোর দাবি জানানো হচ্ছে।”

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সোহেল আহমেদ বলেন “সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক নির্দেশনায় ল্যাব রিপোর্টে শুধুমাত্র বিএমডিসি নিবন্ধিত চিকিৎসকদের স্বাক্ষরের অনুমতি দিয়ে ‘প্যাথোলজি বিশেষজ্ঞ’ বিষয়টি অস্পষ্ট রাখা হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে রোগ নির্ণয়ে বিশেষ ভূমিকা রাখা বায়োকেমিস্ট ও মাইক্রোবায়োলোজিস্টদের পেশাগত মর্যাদা সংকটে পড়েছে। আধুনিক রোগ নির্ণয় ও কোয়ালিটি কন্ট্রোলে উচ্চতর দক্ষতাসম্পন্ন এই গ্রাজুয়েটরা অপরিহার্য গিয়ার বা চালিকাশক্তির মতো। কোভিড-১৯ মহামারীতেও তাদের অবদান ছিল অনস্বীকার্য। বায়োকেমিস্টদের স্বাক্ষরের ক্ষমতা কেড়ে নিলে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ধূলিসাৎ হবে এবং স্বাস্থ্য খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই প্যাথোলজি বিশেষজ্ঞের সংজ্ঞা স্পষ্ট করে বায়োকেমিস্টদের সিগনেটরি অথরিটি বহাল রেখে দ্রুত প্রজ্ঞাপনটি সংশোধনের আহ্বান জানাচ্ছি।”