ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সারাদেশে ধারাবাহিক শিশু নির্যাতনের ঘটনায় সেন্টার ফর চাইল্ড রাইটসের উদ্বেগ সারাদেশে শিশু ধারাবাহিক শিশু নির্যাতনের ঘটনায় সেন্টার ফর চাইল্ড রাইটসের উদ্বেগ জবিতে জকসুর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আগামীকাল জবি আইনজীবী সমিতির নেতৃত্বে তরিকুল-পলাশ জবিতে র‍্যাগিং মুক্ত ক্যাম্পাস গড়ার লক্ষে সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন ছাত্রদল নেতার ইবিস্থ আইইউসানস’র নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত ঈদে বিভাগীয় শহরে বাসের আবেদন জকসুর সীমান্তে হত্যা ও মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে জবিতে জাতীয় ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ সীমান্তে হত্যা ও মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে জবিতে জাতীয় ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ ইডেন কলেজ ছাত্রীদের ‘নষ্টা’ বললেন ইবি ছাত্রদল নেতা, সমালোচনা

ত্রিশ লাখ টাকার ফেলোশিপ পাচ্ছেন যবিপ্রবির ৫৬ শিক্ষার্থী

  • আপডেট সময় : ০৬:১৮:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬২৮ বার পড়া হয়েছে

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে গবেষণা খাতে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জন্য ‘জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ’ (এনএসটি) পাচ্ছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ৫৬ জন শিক্ষার্থী। মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত উপসচিব ফেরদৌস আহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফেলোশিপপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থী ৫৪ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান পাবেন। সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের গবেষণা প্রকল্পের আওতায় ২০২৫–২৬ অর্থবছরে যবিপ্রবির ১০টি বিভাগের ৫৬ জন শিক্ষার্থী মোট ৩০ লাখ ২৪ হাজার টাকা ফেলোশিপ পাচ্ছেন।

ফেলোশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন,
পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ থেকে ছয়জন: সাদিয়া সুলতানা মিতু, রাজিয়া সুলতানা, সরজিত সরকার, গৌরব হালদার, ফারজানা মৌসুমী অনন্যা ও মো. সাজ্জাদ হোসেন রাজু। ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে তিনজন: চামেলি ইয়াসমিন উর্মি, তানজিম আহমেদ ও ফারিহা ইসলাম। গণিত বিভাগ থেকে দুইজন: মাহমুদা পারভীন ও তানজুম আরা মাহিন।
কেমিকৌশল বিভাগ থেকে একজন: মোছা. শাহিনা খাতুন। ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগ থেকে তেরোজন: সাথী নন্দি, মারিয়া তাবাসসুম, মো. মমিনুল ইসলাম, নাহিদ সুলতানা পপি, ইমতিয়াজুল আমিন, উসাইরা আমিন, মো. তানভীর আহমেদ, মাধবী আক্তার, এস. এম. সাব্বির হোসেন, কমলিনী মণ্ডল, ফারহানা আফরিন নেহা ও রহিমা আফরোজ রুম্পা। মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ থেকে দশজন: সুমাইয়া খাতুন, মোছা. সুমাইয়া সুলতানা এনি, মো. ফাহমিদুর রহমান, পারভেজ হোসেন, রায়হান মিয়া, ফারিহা বিশ্বাস, তামান্না আক্তার, শিশির কুমার পি.কে., ফারহানা ইসলাম চুমকি ও মৌমিতা রহমান সাজ্জা।
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ থেকে আটজন: মো. হৃদয় হোসেন, তনিমা মাহমুদ ইমা, নুসরাত জাহান, মোছা. সুমাইয়া খাতুন, সুবর্ণা কর্মকার, পল্লব শিং, মাহবুবা ফেরদৌস দোলা ও আনিকা তাসনিম। ফার্মেসি বিভাগ থেকে সাতজন: জ্যোতির্ময়ী রয়, কল্পা সরকার, জিনিয়া আক্তার তমা, রাবেয়া খাতুন সুস্মিতা, ফারজানা ইয়াসমিন, মো. সাদমান হোসেন ও মোছা. সুরাইয়া আক্তার। নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড টেকনোলজি বিভাগ থেকে পাঁচজন: নিশাত তাবাসসুম প্রকৃতি, সোহানা ফাতেমী আরিন, সাদিয়া আফরিন, আফসানা তন্নী ও ইসরাত জাহান।
এছাড়া ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ থেকে একজন শিক্ষার্থী আবিদ হাসান খান ফেলোশিপের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গবেষণা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও উৎসাহিত করতে ১৯৭৭–৭৮ অর্থবছর থেকে ভৌত বিজ্ঞান, জীব ও চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং খাদ্য ও কৃষি বিজ্ঞান, এই তিনটি ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ প্রদান করে আসছে সরকার। নির্ধারিত কমিটির মাধ্যমে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত ও গবেষণারত এমএস, এমফিল, পিএইচডি ও পোস্ট-ডক্টরাল পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের আবেদন যাচাই-বাছাই এবং সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এই ফেলোশিপ প্রদান করা হয়।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে ধারাবাহিক শিশু নির্যাতনের ঘটনায় সেন্টার ফর চাইল্ড রাইটসের উদ্বেগ

ত্রিশ লাখ টাকার ফেলোশিপ পাচ্ছেন যবিপ্রবির ৫৬ শিক্ষার্থী

আপডেট সময় : ০৬:১৮:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে গবেষণা খাতে ২০২৫–২৬ অর্থবছরের জন্য ‘জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ’ (এনএসটি) পাচ্ছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ৫৬ জন শিক্ষার্থী। মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত উপসচিব ফেরদৌস আহাম্মদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফেলোশিপপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থী ৫৪ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান পাবেন। সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের গবেষণা প্রকল্পের আওতায় ২০২৫–২৬ অর্থবছরে যবিপ্রবির ১০টি বিভাগের ৫৬ জন শিক্ষার্থী মোট ৩০ লাখ ২৪ হাজার টাকা ফেলোশিপ পাচ্ছেন।

ফেলোশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন,
পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ থেকে ছয়জন: সাদিয়া সুলতানা মিতু, রাজিয়া সুলতানা, সরজিত সরকার, গৌরব হালদার, ফারজানা মৌসুমী অনন্যা ও মো. সাজ্জাদ হোসেন রাজু। ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে তিনজন: চামেলি ইয়াসমিন উর্মি, তানজিম আহমেদ ও ফারিহা ইসলাম। গণিত বিভাগ থেকে দুইজন: মাহমুদা পারভীন ও তানজুম আরা মাহিন।
কেমিকৌশল বিভাগ থেকে একজন: মোছা. শাহিনা খাতুন। ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগ থেকে তেরোজন: সাথী নন্দি, মারিয়া তাবাসসুম, মো. মমিনুল ইসলাম, নাহিদ সুলতানা পপি, ইমতিয়াজুল আমিন, উসাইরা আমিন, মো. তানভীর আহমেদ, মাধবী আক্তার, এস. এম. সাব্বির হোসেন, কমলিনী মণ্ডল, ফারহানা আফরিন নেহা ও রহিমা আফরোজ রুম্পা। মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ থেকে দশজন: সুমাইয়া খাতুন, মোছা. সুমাইয়া সুলতানা এনি, মো. ফাহমিদুর রহমান, পারভেজ হোসেন, রায়হান মিয়া, ফারিহা বিশ্বাস, তামান্না আক্তার, শিশির কুমার পি.কে., ফারহানা ইসলাম চুমকি ও মৌমিতা রহমান সাজ্জা।
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ থেকে আটজন: মো. হৃদয় হোসেন, তনিমা মাহমুদ ইমা, নুসরাত জাহান, মোছা. সুমাইয়া খাতুন, সুবর্ণা কর্মকার, পল্লব শিং, মাহবুবা ফেরদৌস দোলা ও আনিকা তাসনিম। ফার্মেসি বিভাগ থেকে সাতজন: জ্যোতির্ময়ী রয়, কল্পা সরকার, জিনিয়া আক্তার তমা, রাবেয়া খাতুন সুস্মিতা, ফারজানা ইয়াসমিন, মো. সাদমান হোসেন ও মোছা. সুরাইয়া আক্তার। নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড টেকনোলজি বিভাগ থেকে পাঁচজন: নিশাত তাবাসসুম প্রকৃতি, সোহানা ফাতেমী আরিন, সাদিয়া আফরিন, আফসানা তন্নী ও ইসরাত জাহান।
এছাড়া ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ থেকে একজন শিক্ষার্থী আবিদ হাসান খান ফেলোশিপের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গবেষণা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও উৎসাহিত করতে ১৯৭৭–৭৮ অর্থবছর থেকে ভৌত বিজ্ঞান, জীব ও চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং খাদ্য ও কৃষি বিজ্ঞান, এই তিনটি ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ প্রদান করে আসছে সরকার। নির্ধারিত কমিটির মাধ্যমে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত ও গবেষণারত এমএস, এমফিল, পিএইচডি ও পোস্ট-ডক্টরাল পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের আবেদন যাচাই-বাছাই এবং সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এই ফেলোশিপ প্রদান করা হয়।