ঢাকা ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

গুচ্ছের ‘সি’ ইউনিটে প্রথম যবিপ্রবি কেন্দ্রে পরিক্ষা দেওয়া ঐশী

  • আপডেট সময় : ০৫:৫৯:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • ৩৭২ বার পড়া হয়েছে

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ব্যবসায় অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের স্নাতক প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন যশোরের ফারহানা সুলতানা ঐশী। সর্বোচ্চ ৮৫ নম্বর পেয়ে সারা দেশে প্রথম স্থান অর্জনকারী ঐশী যশোরের সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এম এম) কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ২৭ মার্চ অনুষ্ঠিত গুচ্ছ ভর্তি পরিক্ষায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি।

সোমবার (৩০ মার্চ) ভর্তি পরীক্ষার কোর কমিটির সচিব ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মনজুরুল হক ফলাফলের এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

এছাড়াও ঐশী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সি’ ইউনিটে ৮০তম ও ‘বি’ ইউনিটে ১৬তম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ই’ ইউনিটে ৩য় এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরিক্ষায় ১ম স্থান অর্জন করেন।
 
তার এই সাফল্যের অনুভুতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার এই সাফল্যের জন্য মহান আল্লাহ তা’আলার কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি। আমার অর্জনের পেছনে আমার আম্মুর অবদান সবচেয়ে বেশি, তিনি আমার প্রধান অনুপ্রেরণা। এছাড়াও আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষকবৃন্দের প্রতি জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। এইচএসসি পড়াশোনার পাশাপাশি প্যারাগন, যশোর শাখায় ভর্তি প্রস্তুতি নিয়েছি। এবারের গুচ্ছ সি ইউনিটের প্রশ্নে কিছু অসঙ্গতি থাকায় প্রত্যাশিত ফল অনেকেরই আসেনি, ভবিষ্যতে এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ সচেতন হবে বলে আশা করি। আমার অনুজদের উদ্দেশ্যে বলবো শুধু পরিশ্রম নয় বরং ধৈর্য, ধারাবাহিকতা ও সঠিক কৌশলই সফলতার মূল চাবিকাঠি। যবিপ্রবি কেন্দ্র হিসেবে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ছিল ক্যাম্পাসে আর রুমের শিক্ষকরা ফ্রেন্ডলি ছিলেন।
 
প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এবারের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় ‘সি’ ইউনিটে মোট আবেদনকারী ছিলেন ২৫ হাজার ২১৬ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন ১৯ হাজার ৬০৬ জন শিক্ষার্থী, যা মোট আবেদনকারীর ৭৭.৫০ শতাংশ। পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন ৫ হাজার ৬১০ জন।

অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ন্যূনতম পাস নম্বর (৩০) পেয়ে ভর্তির প্রাথমিক যোগ্যতা অর্জন করেছেন ১২ হাজার ৯৭৮ জন। অর্থাৎ, উপস্থিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৬৬ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। অন্যদিকে, অকৃতকার্য হয়েছেন ৬ হাজার ৬২২ জন শিক্ষার্থী। এছাড়া ওএমআর শিটে ভুল করার কারণে ৬ জন শিক্ষার্থীর খাতা বাতিল করা হয়েছে।

ট্যাগস :

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যবিপ্রবি উপাচার্যের মতবিনিময় সভায় ছাত্রদল ও সাধারন শিক্ষার্থীদের বাকবিতন্ডা

গুচ্ছের ‘সি’ ইউনিটে প্রথম যবিপ্রবি কেন্দ্রে পরিক্ষা দেওয়া ঐশী

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ব্যবসায় অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের স্নাতক প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন যশোরের ফারহানা সুলতানা ঐশী। সর্বোচ্চ ৮৫ নম্বর পেয়ে সারা দেশে প্রথম স্থান অর্জনকারী ঐশী যশোরের সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এম এম) কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ২৭ মার্চ অনুষ্ঠিত গুচ্ছ ভর্তি পরিক্ষায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি।

সোমবার (৩০ মার্চ) ভর্তি পরীক্ষার কোর কমিটির সচিব ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মনজুরুল হক ফলাফলের এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

এছাড়াও ঐশী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সি’ ইউনিটে ৮০তম ও ‘বি’ ইউনিটে ১৬তম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ই’ ইউনিটে ৩য় এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরিক্ষায় ১ম স্থান অর্জন করেন।
 
তার এই সাফল্যের অনুভুতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার এই সাফল্যের জন্য মহান আল্লাহ তা’আলার কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি। আমার অর্জনের পেছনে আমার আম্মুর অবদান সবচেয়ে বেশি, তিনি আমার প্রধান অনুপ্রেরণা। এছাড়াও আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষকবৃন্দের প্রতি জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। এইচএসসি পড়াশোনার পাশাপাশি প্যারাগন, যশোর শাখায় ভর্তি প্রস্তুতি নিয়েছি। এবারের গুচ্ছ সি ইউনিটের প্রশ্নে কিছু অসঙ্গতি থাকায় প্রত্যাশিত ফল অনেকেরই আসেনি, ভবিষ্যতে এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ সচেতন হবে বলে আশা করি। আমার অনুজদের উদ্দেশ্যে বলবো শুধু পরিশ্রম নয় বরং ধৈর্য, ধারাবাহিকতা ও সঠিক কৌশলই সফলতার মূল চাবিকাঠি। যবিপ্রবি কেন্দ্র হিসেবে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ছিল ক্যাম্পাসে আর রুমের শিক্ষকরা ফ্রেন্ডলি ছিলেন।
 
প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এবারের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় ‘সি’ ইউনিটে মোট আবেদনকারী ছিলেন ২৫ হাজার ২১৬ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন ১৯ হাজার ৬০৬ জন শিক্ষার্থী, যা মোট আবেদনকারীর ৭৭.৫০ শতাংশ। পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিলেন ৫ হাজার ৬১০ জন।

অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ন্যূনতম পাস নম্বর (৩০) পেয়ে ভর্তির প্রাথমিক যোগ্যতা অর্জন করেছেন ১২ হাজার ৯৭৮ জন। অর্থাৎ, উপস্থিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৬৬ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। অন্যদিকে, অকৃতকার্য হয়েছেন ৬ হাজার ৬২২ জন শিক্ষার্থী। এছাড়া ওএমআর শিটে ভুল করার কারণে ৬ জন শিক্ষার্থীর খাতা বাতিল করা হয়েছে।